Category Archives: The Dark Room

Everything related to photography!

Memory Downpour


I love rain. For what I know people of Bangladesh no matter of which social class they ate from love rain!

Why shouldn’t we? It brings out so many emotions, these heavy downpours. It has inspired romance and creativity throughout our history. Its presence in literature is immense!

Last night I got stuck in rain at Uttara after a meeting with Mahran bhai which took some time to finish. Also ran into my friend Sauud who was returning to IUT too. As we were stuck we decided to have dinner there and hired a cab to get our asses back in red heaven.

I am always fascinated by rain photos and the splashes it creates on the windows. I couldn’t stop noticing it when we were stuck in the jam. The galaxy s II’s camera came in handy!

image

Kinda love it!
With the rainy season here I think I will get more shots with my DSLR too!
Some more photos

image

image

image

image

image

IUTPS- সালতামামী ২০১১


নাবিলকে নিজে থেকেই বলেছিলাম যে IUTPS-কে নিয়ে একটা লেখা দিব! মাস খানেক আগের কথা, ভুলেই গিয়েছিলাম,আজকে আবার সে আমার কাছে অফিসিয়াল চিঠি দিয়ে ছবি চাওয়ার পর মনে পরলো। আমি মানুষটা ভাল না কিন্তু কথা দিলে রাখার চেষ্টা করি! আজকে তাই কিছু লিখেই ফেললাম!

?

আইইউটি-তে এসেছি ২-৩ সপ্তাহ হয়েছে হয়তো, কপাল জোড়ে তখনো Rag-ডলা খাওয়া হয়নি (এখন খালি মনে হয় যে এমনি ফাটা কপাল,Rag খাওয়া হইলোনা আর! L ), তাই রুমে লুকায়ে থাকি আমরা তিন রুমমেট। ক্লাস শেষ করে পেটে খাওয়া ঢুকিয়ে সেঁটে ঘুম দেওয়ার জন্য শুয়েছিলাম। দরজায় ধাক্কার শব্দে তাই ভয়ের চেয়ে বিরক্তি হয়েছিল বেশি। দরজা খুলে দেখি গোলগাল চেহারার এক ফ্রেঞ্চকাট দাঁড়ির ভাই দাঁড়িয়ে আছেন। ঘুম তখন উধাউ, ?কি দোষ করলাম যে আমারে দরজা খুলতে হইল!? মাথায় তখন এইসব ঘুরপাক খাচ্ছে।

?তোমাদের কারো ছবি তোলার শখ আছে?? আশ্চর্যরকম মিষ্টি (!) এবং শুদ্ধ বাংলা শুনে আমার চিন্তার সুতো কেটে যায়। উনার বাকি কথা শুনে পরে যা বুঝলাম তা হল যে আইইউটিতে বলে এক এক্সিবিশন (চিত্রপ্রদরশনি এক আজব শব্দ!) হবে তাতে ছবি দিতে বলছে! Rag খাবো না এই খুশিতে যা বলল তা শুনে হু-হা করে চালিয়ে আমি দরজা আটকে শুয়ে পরি। ওটাই ছিল মাহারান ভাইয়ের সাথে আমার প্রথম দেখা! উনাকে যারা চিনেন তারা সবাই উনার আশ্চর্যরকম মিষ্টি (!) এবং শুদ্ধ বাংলা সম্পর্কে অবগত আছেন!

তখন খুব একটা গা করিনি,তাই আমার রুমমেট রাসামকে ছবি দিতে দেখেও আমি দেইনি,আর সেটা আমার সারা জীবনের আক্ষেপ হয়ে থাকবে!

আইইউটি-তে কোন ফটোগ্রাফি ক্লাব প্রতিষ্ঠা হওয়ার আগে আয়োজিত সেই একমাত্র এক্সিবিশনে আমি ছিলাম না। সেই অভিজ্ঞতা আমি তাই জানাতে পারছিনা। শুধু এইটুকু বলি- নাসের স্যার, বাপ্পি ভাই (MCE?06),জুমার ভাই (MCE?06),মাহারান ভাই (EEE?06),রিহান ভাই (MCE?06), মহাসিন ভাই (MCE?06), সাগর ভাই (EEE?06),প্রিওম ভাই (CIT?07)এবং ?06 এর আরো অনেক ভাইয়াদের পরিশ্রমে ২০১০ সালে আইইউটির বার্ষিক ক্রিড়া প্রতিযোগিতায় এই এক্সিবিশন হয় যা পরবর্তীতে IUTPS (তৎকালীন IUT Visual Arts? Society) প্রতিষ্ঠায় সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে!

IUTPS-এর প্রথম সভায় প্রথম বর্ষ থেকে শুধু আমি এবং রাসাম ছিলাম। ওই দিনেই দেখা হয় অন্য সবার সাথে। ওই দিন গঠিত হয় প্রথম পরিচালনা পর্ষদ। আমার জায়গা হয় অনলাইন কো-রেস্পন্ডেন্ট হিসেবে।

শুরুর দিকে অনেক উৎসাহ নিয়ে শুরু হয় IUTPS এর কার্যাবলী। নাসের ভাই এবং বাইরে থেকে ফটোগ্রাফাররা এসে ক্লাসও নিয়েছিলেন কিছু। সবার মাথায় নিত্য নতুন আইডিয়া ঘুরছিল, কিন্তু আইইউটি-এর টাইট শিডিউলে কোন আইডিয়াকেই বাস্তবে রূপ দেওয়া হয়না। আমি এখনো মনে করি তখন IUTPS এর এক্টিভ সদস্য ছিলেন শুধুমাত্র চতুর্থ বর্ষ। প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় বর্ষ থেকে মাত্র এক-দুইজন করেছিল। কাজ হচ্ছিলনা কোন একারনেই!

কাজের কাজ বলতে সেই বছরের সমাবর্তন থেকে IUTPS বিদায়ী ছাত্রদের ON SPOT ?ছবি তোলা এবং প্রিন্ট কপি প্রদানের এক রেওয়াজ চালু করে। আমি আর ইস্তিয়াক (eee?09) সারদিন খেটে IUTPS-এর প্রথম ফান্ড তুলি, ২৫০০ টাকা!

পানসে সময়, পানসে উপস্থাপন। কিন্তু ইতিহাসের শুরু সবসময় পানসেই হয়!

আসলো ২০১১, ৩ মাসের বন্ধে আমি ডিএসএলআর ক্যামেরা কিনে মাহারান ভাইয়ের কারনে কামলা (!) খেটে তখন লাখপতি! খবর বের হতে সময় লাগলনা (আমিও ফেসবুকে কম লিখিনাই!) আর সেই সাথে দেখলাম সিনিয়র-জুনিয়ররা ছবি তুলতে শিখা নিয়ে অনেক আগ্রহী!

সমাবর্তনে খেটে যে টাকা তুলেছিলাম তা দিয়ে IUTPS যে রাজকীয় নবীনবরণ করলো তা শুধু নবীনদের না, অন্যান্য ক্লাবদেরও চোখ ট্যাড়া করে দেয়! যারা সেই চকলেট কেক খায় নাই, তারা সারা জীবন পস্তাবে!) প্রথম ক্লাসেই তাই রুমে জায়গা নাই, আর ক্লাস নিতে সবার সামনে খোদার খাসি আমি! (আমার লাইফের সবচেয়ে গর্বের বিব্রতকর সময়! প্রিওম ভাইকে প্রেসিডেন্ট এবং জিকো ভাইকে ভাইস-প্রেসিডেন্ট করে আমাদের ২০১১ এর যাত্রা শুরু হয়।

২০১১ সালে আইইউটিপিএস-এর যা যা অর্জনঃ

  • আইইউটিপিএস-এর সদস্য সংখ্যা বর্তমানে আইইউটি এর অন্যান্য ক্লাবের চেয়ে কয়েক গুন বেশি! অথচ এটি ছিল আইইউটিপিএস-এর ২য় বছর মাত্র!
  • আগের বছর শিক্ষা হওয়ায় ক্লাস রুমে ক্লাস নেওয়ার বদলে আমরা চেষ্টা করি বাইরে সবাইকে নিয়ে ফটোওয়াকে যেতে। দৃক গ্যালারিতে ভ্রমনের কথা সবার জানা। সেটা ছাড়াও স্বাধীনতা দিবসে টিএসসি, পুরান ঢাকায়, রমজানে চকবাজারে ফটোওয়াক করা হয়। এইসব ফটোওয়াকে আইইউটি-এর বর্তমান ছাত্র ছাড়াও ফাহাদ হাসান রাতুল ভাই (05 ব্যাচের) এবং ফয়সাল অরূপ ভাই? (06 ব্যাচের) ছিলেন আমাদের সাথে। খাওয়া-দাওয়া, আড্ডা, ফেসবুক প্রোপিক তোলা- সবই হত একসাথে!
  • দল বেঁধে বিভিন্ন এক্সিবিশনে ঘুরতে যাওয়ায় এবং সেইখানের কমেন্টবুকে পৃষ্ঠা জুড়ে বাংলা,ইংরেজী এবং আরবী (!) ভাষাতে কমেন্ট লিখায় আইইউটিপিএস এবং আইইউটি এর নাম প্রচার!
  • প্রথম-আলো, ডেইলি স্টারসহ বিভিন্ন পত্রিকায় IUTPS-কে নিয়ে খবর প্রকাশ!
  • আইইউটি-তে দ্বিতীয় Intra Exhibition এবং ICT Festival-এ আরেকটি এক্সিবিশনের সফল আয়োজন!
  • ২০১১ সালের সবচেয়ে বড় সাফল্য ধরা হয় BREAK THE CIRCLE 2011 আয়োজন করা! এবং আইইউটি এর চিরচারিত ট্র্যাডিশন বজায় রেখে পূর্বের অন্য ইউনিভার্সিটির সকল আয়োজনকে ছাপিয়ে যায় এআইইউটিপিএস-এর BREAK THE CIRCLE! Airtel ছিল এই এক্সিবিশনের প্রধান স্পন্সর!
  • তবে আমার চোখে, এবং আমি মনে করি IUTPS-এর অন্যান্য সদস্যরাও একমত হবে যে আমাদের সবচেয়ে বড় সাফল্য হল IUTPS এর সদস্যদের dedication and hard work! নবীনরা ছিল সবচেয়ে উৎসাহী এবং তাদের কারনেই বাকি সব সাফল্য!

এইগুলো তো গেল বড় বড় অর্জন। আর?

নাসের ভাইয়ের ঝাড়ি (*বিকট চিৎকারসহ* ?তোমাদের দিয়ে কিচ্ছু হবেনা!?), আমাদের প্রেসিডেন্ট প্রিওম ভাইকে কখনই মোবাইলে না পাওয়া (উনাকে রুমে গিয়ে খুঁজে পাইতে হতো!),তৌহিদ ভাই-জিকো ভাই-ফায়াজ ভাইয়ের টাকা খসানো (? বড় ভাইগুলারে মানুষ মনে করলিনারে!?), জুনিয়র- আদীব,রাফি,রাকিন,রাহাত,তন্ময়,শাওন,সিফাত,মতিন,আকিবসহ সবাইকে (বাকিদের নাম মনে পরতেসে না!) উল্টা ঝাড়ি দিয়ে বেড়ানো, আর মিটিং-এর নামে সবার সাথে ঘন্টার পর ঘন্টার আড্ডা দেওয়া,ক্লাস শেষ করে জ্যাম ভেঙ্গে স্পন্সরের জন্য ঢাকায় দৌড়ানো, লাখ টাকার হিসাব মিলাতে গিয়ে ওলটপালট লাগানো?? আর কিছু চাই?

এক কথায় ? 2011 was Legend? wait for it? dary, LEGENDARY!

 

আসছে ২০১২ সাল, আইইউটিপিএস-এর অনেক আশা এবং স্বপ্ন এই বছরকে নিয়ে। কাকে প্রেসিডেন্ট বানাবো এই নিয়ে মাথা চুলকানো বাদ দিয়ে খামচানো শুরু হয়ে গিয়েছে (কারে বাদ দিয়ে কারে করবো? জিকো ভাই, তৌহিদ ভাই, ফায়াজ ভাই- তিনজনেই অসাম!), Airtel এবং Qubee এখনো টাকা দেয়নি! ডিএসএলআর-এর সংখ্যা বেড়ে গিয়েছে ( হায় হায়! এখন আমার কি হবে!!) আর নতুন ব্যাচ তো আসছেই! আসুক, We BREAK THE CIRCLE!

Hail IUT, hail IUTPS!

Long live IUT brotherhood!

 

পাদটীকাঃ

  • ২০১০ সালে সিডিএস-এ বসে আমি প্রথম নাসের ভাইকে প্রস্তাব করে বসি ইন্টার ইউনিভার্সিটি এক্সিবিশন আয়োজনের, যাকে BREAK THE CIRCLE নামকরণ করেন সাগর ভাই (eee?06)
  • আইইউটিপিএস-এর লোগো ডিসাইন করেছেন আর্কিটেকচারের ছাত্র সুহাস নাহিয়ান।

 

IUTPS- সালতামামী ২০১১


নাবিলকে নিজে থেকেই বলেছিলাম যে IUTPS-কে নিয়ে একটা লেখা দিব! মাস খানেক আগের কথা, ভুলেই গিয়েছিলাম,আজকে আবার সে আমার কাছে অফিসিয়াল চিঠি দিয়ে ছবি চাওয়ার পর মনে পরলো। আমি মানুষটা ভাল না কিন্তু কথা দিলে রাখার চেষ্টা করি! আজকে তাই কিছু লিখেই ফেললাম!

?

আইইউটি-তে এসেছি ২-৩ সপ্তাহ হয়েছে হয়তো, কপাল জোড়ে তখনো Rag-ডলা খাওয়া হয়নি (এখন খালি মনে হয় যে এমনি ফাটা কপাল,Rag খাওয়া হইলোনা আর! L ), তাই রুমে লুকায়ে থাকি আমরা তিন রুমমেট। ক্লাস শেষ করে পেটে খাওয়া ঢুকিয়ে সেঁটে ঘুম দেওয়ার জন্য শুয়েছিলাম। দরজায় ধাক্কার শব্দে তাই ভয়ের চেয়ে বিরক্তি হয়েছিল বেশি। দরজা খুলে দেখি গোলগাল চেহারার এক ফ্রেঞ্চকাট দাঁড়ির ভাই দাঁড়িয়ে আছেন। ঘুম তখন উধাউ, ?কি দোষ করলাম যে আমারে দরজা খুলতে হইল!? মাথায় তখন এইসব ঘুরপাক খাচ্ছে।

?তোমাদের কারো ছবি তোলার শখ আছে?? আশ্চর্যরকম মিষ্টি (!) এবং শুদ্ধ বাংলা শুনে আমার চিন্তার সুতো কেটে যায়। উনার বাকি কথা শুনে পরে যা বুঝলাম তা হল যে আইইউটিতে বলে এক এক্সিবিশন (চিত্রপ্রদরশনি এক আজব শব্দ!) হবে তাতে ছবি দিতে বলছে! Rag খাবো না এই খুশিতে যা বলল তা শুনে হু-হা করে চালিয়ে আমি দরজা আটকে শুয়ে পরি। ওটাই ছিল মাহারান ভাইয়ের সাথে আমার প্রথম দেখা! উনাকে যারা চিনেন তারা সবাই উনার আশ্চর্যরকম মিষ্টি (!) এবং শুদ্ধ বাংলা সম্পর্কে অবগত আছেন!

তখন খুব একটা গা করিনি,তাই আমার রুমমেট রাসামকে ছবি দিতে দেখেও আমি দেইনি,আর সেটা আমার সারা জীবনের আক্ষেপ হয়ে থাকবে!

আইইউটি-তে কোন ফটোগ্রাফি ক্লাব প্রতিষ্ঠা হওয়ার আগে আয়োজিত সেই একমাত্র এক্সিবিশনে আমি ছিলাম না। সেই অভিজ্ঞতা আমি তাই জানাতে পারছিনা। শুধু এইটুকু বলি- নাসের স্যার, বাপ্পি ভাই (MCE?06),জুমার ভাই (MCE?06),মাহারান ভাই (EEE?06),রিহান ভাই (MCE?06), মহাসিন ভাই (MCE?06), সাগর ভাই (EEE?06),প্রিওম ভাই (CIT?07)এবং ?06 এর আরো অনেক ভাইয়াদের পরিশ্রমে ২০১০ সালে আইইউটির বার্ষিক ক্রিড়া প্রতিযোগিতায় এই এক্সিবিশন হয় যা পরবর্তীতে IUTPS (তৎকালীন IUT Visual Arts? Society) প্রতিষ্ঠায় সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে!

IUTPS-এর প্রথম সভায় প্রথম বর্ষ থেকে শুধু আমি এবং রাসাম ছিলাম। ওই দিনেই দেখা হয় অন্য সবার সাথে। ওই দিন গঠিত হয় প্রথম পরিচালনা পর্ষদ। আমার জায়গা হয় অনলাইন কো-রেস্পন্ডেন্ট হিসেবে।

শুরুর দিকে অনেক উৎসাহ নিয়ে শুরু হয় IUTPS এর কার্যাবলী। নাসের ভাই এবং বাইরে থেকে ফটোগ্রাফাররা এসে ক্লাসও নিয়েছিলেন কিছু। সবার মাথায় নিত্য নতুন আইডিয়া ঘুরছিল, কিন্তু আইইউটি-এর টাইট শিডিউলে কোন আইডিয়াকেই বাস্তবে রূপ দেওয়া হয়না। আমি এখনো মনে করি তখন IUTPS এর এক্টিভ সদস্য ছিলেন শুধুমাত্র চতুর্থ বর্ষ। প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় বর্ষ থেকে মাত্র এক-দুইজন করেছিল। কাজ হচ্ছিলনা কোন একারনেই!

কাজের কাজ বলতে সেই বছরের সমাবর্তন থেকে IUTPS বিদায়ী ছাত্রদের ON SPOT ?ছবি তোলা এবং প্রিন্ট কপি প্রদানের এক রেওয়াজ চালু করে। আমি আর ইস্তিয়াক (eee?09) সারদিন খেটে IUTPS-এর প্রথম ফান্ড তুলি, ২৫০০ টাকা!

পানসে সময়, পানসে উপস্থাপন। কিন্তু ইতিহাসের শুরু সবসময় পানসেই হয়!

আসলো ২০১১, ৩ মাসের বন্ধে আমি ডিএসএলআর ক্যামেরা কিনে মাহারান ভাইয়ের কারনে কামলা (!) খেটে তখন লাখপতি! খবর বের হতে সময় লাগলনা (আমিও ফেসবুকে কম লিখিনাই!) আর সেই সাথে দেখলাম সিনিয়র-জুনিয়ররা ছবি তুলতে শিখা নিয়ে অনেক আগ্রহী!

সমাবর্তনে খেটে যে টাকা তুলেছিলাম তা দিয়ে IUTPS যে রাজকীয় নবীনবরণ করলো তা শুধু নবীনদের না, অন্যান্য ক্লাবদেরও চোখ ট্যাড়া করে দেয়! যারা সেই চকলেট কেক খায় নাই, তারা সারা জীবন পস্তাবে!) প্রথম ক্লাসেই তাই রুমে জায়গা নাই, আর ক্লাস নিতে সবার সামনে খোদার খাসি আমি! (আমার লাইফের সবচেয়ে গর্বের বিব্রতকর সময়! প্রিওম ভাইকে প্রেসিডেন্ট এবং জিকো ভাইকে ভাইস-প্রেসিডেন্ট করে আমাদের ২০১১ এর যাত্রা শুরু হয়।

২০১১ সালে আইইউটিপিএস-এর যা যা অর্জনঃ

  • আইইউটিপিএস-এর সদস্য সংখ্যা বর্তমানে আইইউটি এর অন্যান্য ক্লাবের চেয়ে কয়েক গুন বেশি! অথচ এটি ছিল আইইউটিপিএস-এর ২য় বছর মাত্র!
  • আগের বছর শিক্ষা হওয়ায় ক্লাস রুমে ক্লাস নেওয়ার বদলে আমরা চেষ্টা করি বাইরে সবাইকে নিয়ে ফটোওয়াকে যেতে। দৃক গ্যালারিতে ভ্রমনের কথা সবার জানা। সেটা ছাড়াও স্বাধীনতা দিবসে টিএসসি, পুরান ঢাকায়, রমজানে চকবাজারে ফটোওয়াক করা হয়। এইসব ফটোওয়াকে আইইউটি-এর বর্তমান ছাত্র ছাড়াও ফাহাদ হাসান রাতুল ভাই (05 ব্যাচের) এবং ফয়সাল অরূপ ভাই? (06 ব্যাচের) ছিলেন আমাদের সাথে। খাওয়া-দাওয়া, আড্ডা, ফেসবুক প্রোপিক তোলা- সবই হত একসাথে!
  • দল বেঁধে বিভিন্ন এক্সিবিশনে ঘুরতে যাওয়ায় এবং সেইখানের কমেন্টবুকে পৃষ্ঠা জুড়ে বাংলা,ইংরেজী এবং আরবী (!) ভাষাতে কমেন্ট লিখায় আইইউটিপিএস এবং আইইউটি এর নাম প্রচার!
  • প্রথম-আলো, ডেইলি স্টারসহ বিভিন্ন পত্রিকায় IUTPS-কে নিয়ে খবর প্রকাশ!
  • আইইউটি-তে দ্বিতীয় Intra Exhibition এবং ICT Festival-এ আরেকটি এক্সিবিশনের সফল আয়োজন!
  • ২০১১ সালের সবচেয়ে বড় সাফল্য ধরা হয় BREAK THE CIRCLE 2011 আয়োজন করা! এবং আইইউটি এর চিরচারিত ট্র্যাডিশন বজায় রেখে পূর্বের অন্য ইউনিভার্সিটির সকল আয়োজনকে ছাপিয়ে যায় এআইইউটিপিএস-এর BREAK THE CIRCLE! Airtel ছিল এই এক্সিবিশনের প্রধান স্পন্সর!
  • তবে আমার চোখে, এবং আমি মনে করি IUTPS-এর অন্যান্য সদস্যরাও একমত হবে যে আমাদের সবচেয়ে বড় সাফল্য হল IUTPS এর সদস্যদের dedication and hard work! নবীনরা ছিল সবচেয়ে উৎসাহী এবং তাদের কারনেই বাকি সব সাফল্য!

এইগুলো তো গেল বড় বড় অর্জন। আর?

নাসের ভাইয়ের ঝাড়ি (*বিকট চিৎকারসহ* ?তোমাদের দিয়ে কিচ্ছু হবেনা!?), আমাদের প্রেসিডেন্ট প্রিওম ভাইকে কখনই মোবাইলে না পাওয়া (উনাকে রুমে গিয়ে খুঁজে পাইতে হতো!),তৌহিদ ভাই-জিকো ভাই-ফায়াজ ভাইয়ের টাকা খসানো (? বড় ভাইগুলারে মানুষ মনে করলিনারে!?), জুনিয়র- আদীব,রাফি,রাকিন,রাহাত,তন্ময়,শাওন,সিফাত,মতিন,আকিবসহ সবাইকে (বাকিদের নাম মনে পরতেসে না!) উল্টা ঝাড়ি দিয়ে বেড়ানো, আর মিটিং-এর নামে সবার সাথে ঘন্টার পর ঘন্টার আড্ডা দেওয়া,ক্লাস শেষ করে জ্যাম ভেঙ্গে স্পন্সরের জন্য ঢাকায় দৌড়ানো, লাখ টাকার হিসাব মিলাতে গিয়ে ওলটপালট লাগানো?? আর কিছু চাই?

এক কথায় ? 2011 was Legend? wait for it? dary, LEGENDARY!

 

আসছে ২০১২ সাল, আইইউটিপিএস-এর অনেক আশা এবং স্বপ্ন এই বছরকে নিয়ে। কাকে প্রেসিডেন্ট বানাবো এই নিয়ে মাথা চুলকানো বাদ দিয়ে খামচানো শুরু হয়ে গিয়েছে (কারে বাদ দিয়ে কারে করবো? জিকো ভাই, তৌহিদ ভাই, ফায়াজ ভাই- তিনজনেই অসাম!), Airtel এবং Qubee এখনো টাকা দেয়নি! ডিএসএলআর-এর সংখ্যা বেড়ে গিয়েছে ( হায় হায়! এখন আমার কি হবে!!) আর নতুন ব্যাচ তো আসছেই! আসুক, We BREAK THE CIRCLE!

Hail IUT, hail IUTPS!

Long live IUT brotherhood!

 

পাদটীকাঃ

  • ২০১০ সালে সিডিএস-এ বসে আমি প্রথম নাসের ভাইকে প্রস্তাব করে বসি ইন্টার ইউনিভার্সিটি এক্সিবিশন আয়োজনের, যাকে BREAK THE CIRCLE নামকরণ করেন সাগর ভাই (eee?06)
  • আইইউটিপিএস-এর লোগো ডিসাইন করেছেন আর্কিটেকচারের ছাত্র সুহাস নাহিয়ান।